নিজেদের পছন্দে সিরিয়ার ভবিষ্যৎ সাজাতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-তুরস্ক-ইসরায়েল
![]() |
| ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবতরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। |
সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদের পতনের পর দেশ গঠনে মন দিয়েছেন বিদ্রোহীরা। ঠিক এই সময়ে দেশটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলো। সিরিয়ায় নিজেদের দূত পাঠাচ্ছে তারা। দেশগুলোর আরেকটি লক্ষ্য বাশারের পতনে ভূমিকা রাখা বিদ্রোহীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা।
বিদ্রোহীদের অতর্কিত এক অভিযানের মুখে গত রোববার ক্ষমতাচ্যুত হন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার। এরপর মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সিরিয়া ইস্যুতে কথা বলেছেন তিনি। আজ শুক্রবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গেও এ নিয়ে তাঁর কথা হয়েছে।
বাশারের পতনে মূল ভূমিকা রেখেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল–শাম (এইচটিএস)। এই গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠরাই সিরিয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা অনেক দেশের সন্ত্রাসী তালিকায় রয়েছে এইচটিএস। ব্লিঙ্কেন বলেছেন, সিরিয়ার নতুন সরকারকে মানবাধিকারের মূল নীতিগুলোর প্রতি সম্মান জানাতে হবে, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং সিরিয়া যেন সন্ত্রাসবাদের ঘাঁটিতে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথম দেশ হিসেবে সিরিয়ায় উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পাঠিয়েছে তুরস্ক। বৃহস্পতিবার রাজধানী দামেস্কের উমাইয়া মসজিদে তুরস্কের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিনকে দেখা গেছে। এই মসজিদেই বাশারের পতনের দিন ভাষণ দিয়েছিলেন এইচটিএস নেতা আবু মোহাম্মদ আল–জুলানি। কালিন এমন সময় দামেস্ক সফর করলেন, যখন সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তুরস্কের সামরিক বাহিনী এবং দেশটির সমর্থন পাওয়া সশস্ত্র যোদ্ধাদের অভিযান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্লিঙ্কেন।

0 মন্তব্যসমূহ